প্রবাসের জীবন
দূরত্বের মধ্যেও পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ
সময় মেলানো কঠিন হলেও ছোট কিছু অভ্যাস যোগাযোগকে সহজ করতে পারে।
সুবিধাজনক সময় মিলিয়ে নিন
এক দেশে সকাল হলে আরেক দেশে রাত হতে পারে। ফোন করার আগে দুই পক্ষের কাজ, বিশ্রাম ও পড়াশোনার সময় বোঝার চেষ্টা করুন। সবার সুবিধায় সপ্তাহের নির্দিষ্ট একটি সময় বেছে নেওয়া যায়। তবে কোনো সপ্তাহে কথা না হলে তা নিয়ে অভিযোগের বদলে নতুন সময় ঠিক করুন। যোগাযোগের উদ্দেশ্য খোঁজ নেওয়া, উপস্থিতির হিসাব রাখা নয়।
শুধু প্রয়োজনের কথা নয়
দরকারি কাজ বা অর্থের আলোচনা ছাড়াও সাধারণ অভিজ্ঞতা ভাগ করুন। জানালার বাইরের দৃশ্য, নতুন রান্না কিংবা দিনের একটি ভালো মুহূর্ত কাছের মানুষকে আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিতে পারে। অন্য পক্ষের কথাও মন দিয়ে শুনুন। একই প্রশ্নের ছোট উত্তর পেলে চাপ না দিয়ে অন্যদিন আবার আলাপের সুযোগ রাখুন।
বিকল্প মাধ্যম ব্যবহার করুন
দীর্ঘ ভিডিও কলে সময় না মিললে ছোট ভয়েস বার্তা বা লেখা কাজে আসতে পারে। পরিবারের সবাই একই প্রযুক্তিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। কাউকে নতুন অ্যাপ শেখাতে হলে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিন। ব্যক্তিগত ছবি বা বার্তা অন্য গ্রুপে পাঠানোর আগে অনুমতি নিন। শিশুদের ছবি কোথায় শেয়ার হচ্ছে, সেটিও দায়িত্ব নিয়ে বিবেচনা করুন।
প্রত্যাশা স্পষ্ট করুন
সবসময় সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। কখন সাধারণ বার্তার উত্তর দেওয়া সুবিধাজনক তা আগেই জানিয়ে রাখুন। জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে যোগাযোগ করা হবে, পরিবারের মধ্যে সেটিও ঠিক করে নিতে পারেন। সম্পর্কের যত্ন শুধু বার্তার সংখ্যায় বোঝা যায় না; অপরের বাস্তব পরিস্থিতিকে সম্মান করাও তার অংশ।
এই লেখাটি সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অনুশীলনভিত্তিক ফিচার; কোনো সংবাদ প্রতিবেদন নয়।
মতামত বা সংশোধন জানান ↗